সোমবার রাত ৮টা ১৫ মিনিটে বাংলাভিশনে প্রচার হবে ধারাবাহিক নাটক 'ম্যাডভাই'। মাসুম রেজার রচনা ও কাজী আমিরুল ইসলাম শোভার পরিচালনায় এ নাটকে অভিনয় করেছেন হোমায়রা হিমু। অভিনয় ও অন্যান্য প্রসঙ্গ নিয়ে এবারে 'মুখোমুখি' বিভাগে কথা বলেছেন হিমু। প্রতিবেদক: �ম্যাডভাই� নাটকে কুষ্টিয়ার ভাষায় অভিনয় করতে কেমন লেগেছে? হিমু: সবাই মিলে আনন্দের সঙ্গে কাজ করেছি। মজার ব্যাপার হল, শুটিংয়ের আগে আমরা সবাই একসঙ্গে বসে ডায়লগ পড়তাম। মনে হতো সবাই যেন স্কুলে পড়ছি। প্রতিবেদক: এ নাটকে পায়রা চরিত্রে অভিনয় করছেন। পরবর্তীতে পায়রার প্রেমকাহিনী কোন দিকে মোড় নেবে?? হিমু: আমার ও শাহরিয়ার শুভর প্রেমকাহিনী তুঙ্গে থাকবে। আমি শহরে গিয়ে আবার গ্রামে চলে আসব। একসময় প্রেমিকের সামনে আমি লজ্জায় কথাই বলতে পারব না। প্রতিবেদক: আপনার অভিনীত প্রচারের অপেক্ষায় থাকা ধারাবাহিকগুলো কি কি? হিমু: অনেকগুলো ধারাবাহিকই প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে, এর মধ্যে সকাল আহমেদের 'চৌমহল', হিমু আক্রামের 'জাদুকর', কায়সার আহমেদের 'উত্তরাধিকার', আজহারুল ইসলামের 'ভদ্দরনোক' উল্লেখযোগ্য।
প্রতিবেদক: ঈদের নাটকের খবর কি?
হিমু: বেশকিছু নাটকেই কাজ করেছি। তবে প্রচারের আলোয় আসবে সাইদুল আনাম টুটুলের 'ব্যাচেলর ভাড়াটিয়া', শাফায়েত মনসুর রানার 'ক্লিকক্লিক', মনিরুল ইসলাম সোহেলের 'ছায়াসঙ্গী', সোহেল আরমানের 'মেঘমন' ইত্যাদি।
প্রতিবেদক: ঈদে ভিন্নধর্মী কোনও অনুষ্ঠান করছেন কি?
হিমু: হ্যাঁ। 'গানে গানে তারারমেলা' নামে একটি অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেছি। এতে পুরনো দিনের জনপ্রিয় কিছু গানের সঙ্গে তারকা শিল্পীরা পারফর্ম করবেন। অনুষ্ঠানটি ঈদের দ্বিতীয় দিন বিটিভিতে প্রচার হবে।
প্রতিবেদক: আপনার অভিনীত একমাত্র ছবি 'আমার বন্ধু রাশেদ' শুনেছি মুক্তির মিছিলে?
হিমু: হ্যাঁ। সম্প্রতি ছবিটির মুক্তির সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। আগামী ১৬ ডিসেম্বর ছবিটি মুক্তি পাবে।
ঈদের ছবি নাম্বার ওয়ান শাকিব খান
এবারের ঈদের ছবি মোহাম্মদ হোসেনের 'নাম্বার ওয়ান শাকিব খান'। ছবিটি পরিচালনা করেছেন বদিউল আলম খোকন। নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শাকিব খান নিজেই। অনেক দিন পর কোন তারকার নামে ছবি নির্মাণ হয়েছে। এর আগে সোহেল রানা, রুবেল আমার নাম, মৌসুমী এবং মান্না ভাই নামে ছবি নির্মাণ হয়েছে।
নাম্বার ওয়ান শাকিব খান নির্মাণ হয়েছে গ্রামীণ কথাচিত্রের ব্যানারে। প্রযোজনা করেছেন আবদুর রহমান। ব্যাংককের সমুদ্র শহর পাতোয়ায় চিত্রায়িত সামাজিক অ্যাকশনধর্মী ছবিটিতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, নবাগতা অনন, নূতন, আলীরাজ, সাদেক বাচ্চু, প্রবীর মিত্র, আফজাল শরীফ, ইলিয়াস কোবরা, পলাশ, গাঙ্গুয়া ও মিশা সওদাগর। ছবিটির কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন কাশেম আলী দুলাল, চিত্রগ্রহণে আসাদুজ্জামান মজনু, সংগীত আলী আকরাম শুভ, সম্পাদনা জিন্নাত হোসেন জিন্নাহ, নৃত্যে মাসুম বাবুল, অ্যাকশন আরমান, স্থিরচিত্রে আইয়ুব আকন্দ।
'নাম্বার ওয়ান শাকিব খান' ছবির নিবেদক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, জমজমাট গল্প নিয়ে ব্যাংককের পাতোয়ায় মনোরম লোকেশনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস ছবিটি সবার ভাল লাগবে।
নাম্বার ওয়ান শাকিব খান নির্মাণ হয়েছে গ্রামীণ কথাচিত্রের ব্যানারে। প্রযোজনা করেছেন আবদুর রহমান। ব্যাংককের সমুদ্র শহর পাতোয়ায় চিত্রায়িত সামাজিক অ্যাকশনধর্মী ছবিটিতে অভিনয় করেছেন শাকিব খান, অপু বিশ্বাস, নবাগতা অনন, নূতন, আলীরাজ, সাদেক বাচ্চু, প্রবীর মিত্র, আফজাল শরীফ, ইলিয়াস কোবরা, পলাশ, গাঙ্গুয়া ও মিশা সওদাগর। ছবিটির কাহিনী ও সংলাপ লিখেছেন কাশেম আলী দুলাল, চিত্রগ্রহণে আসাদুজ্জামান মজনু, সংগীত আলী আকরাম শুভ, সম্পাদনা জিন্নাত হোসেন জিন্নাহ, নৃত্যে মাসুম বাবুল, অ্যাকশন আরমান, স্থিরচিত্রে আইয়ুব আকন্দ।
'নাম্বার ওয়ান শাকিব খান' ছবির নিবেদক মোহাম্মদ হোসেন বলেন, জমজমাট গল্প নিয়ে ব্যাংককের পাতোয়ায় মনোরম লোকেশনে ছবিটি নির্মাণ করা হয়েছে। আমার বিশ্বাস ছবিটি সবার ভাল লাগবে।
ঢাকা আসছেন সোনিয়া লোপেজ
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল সোনিয়া লোপেজ আসছে ডিসেম্বরে ঢাকা আসছেন। মূলত তিনি একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার আমন্ত্রণে ঢাকায় আসছেন। ঢাকায় এসে তিনি ওয়ার্কশপ অন স্ক্রিন অ্যাক্টিং শিরোনামের তিন দিনের একটি কর্মশালা পরিচালনা করবেন। সম্পূর্ণ আবাসিকভাবে আয়োজিত ঢাকার বাইরের অনুষ্ঠিতব্য ওই কর্মশালায় অভিনয় ও মডেলিংয়ের ওপর বিশেষ প্রশিক্ষণ দেবেন তিনি। দেশে এখন চলচ্চিত্র এবং নাটক মাধ্যমে চলছে যথেষ্ট শিল্পী সঙ্কট। আর এই শিল্পী সংকট কিছুটা হলেও কাটিয়ে তোলার লক্ষ্যেই একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার উদ্যোগে আগ্রহী অভিনয় শিক্ষার্থীসহ মিডিয়ায় কাজ করতে আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ দেবেন হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোনিয়া লোপেজ। আন্তর্জাতিকমানের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। আমেরিকার লসএঞ্জেলসে অবস্থিত স্ক্রিন অ্যাক্টরস স্টুডিওর ডিরেক্টর সোনিয়া লোপেজ সেখানে অভিনয়ের ওপরই প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকেন। হলিউডে তার কাছ থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শতাধিক শিক্ষার্থী হলিউডের বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করেছেন এবং এখনো করছেন। এক্সট্রিম জাস্টিজ এবং কুবাগুয়া সোনিয়া লোপেজ অভিনীত বিখ্যাত দুটি চলচ্চিত্র। ঢাকায় এসে সোনিয়া লোপেজ শুধু অভিনয়ের ওপরই নয়, মডেলিংয়ের ওপরও বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়ার পাশাপাশি ক্যামেরার বিভিন্ন কাজসহ আরও নানান বিষয়ে ধারণা দেবেন। ডিসেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময়ে সোনিয়া লোপেজ ঢাকায় আসবেন বলে জানিয়েছেন একাডেমি অব ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়ার নির্বাহী পরিচালক বিবেশ রায়। সোনিয়া লোপেজের কর্মশালাটি চলার সময়ে এর মিডিয়া কনসালটেম্লট হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীন।
রাজ্জাক-ডিপজলের দ্বন্দ্ব তুঙ্গে!
নায়করাজ রাজ্জাকের সঙ্গে জনপ্রিয় অভিনেতা ডিপজলের দ্বন্দ্ব তুঙ্গে। কেউ কাউকেই বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজি নন। যে কোন সময় বেধে যেতে পারে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। সর্বত্র টানটান উত্তেজনা। ভয়ের কিছু নেই। এটা বাস্তবে নয়, পর্দায়। আলোচিত পরিচালক মনতাজুর রহমান আকবর পরিচালিত ঈদের ছবি রিকশাওয়ালার ছেলে�তে প্রচণ্ড বিত্তশালী আলমাস চৌধুরী রাজ্জাকের সঙ্গে 'রিকশাওয়ালার ছেলে' রুস্তম ডিপজলের দ্বন্দ্ব তৈরি হবে আলমাস চৌধুরীর কন্যা সেতু রুপি রেসীকে নিয়ে।
আলমাস চৌধুরী রাজ্জাকের চার মেয়ে। রেসী, মুক্তি, রুমানা ও শাকিবা। ছোট ভাই মিজু আহমেদ বড় ভাইয়ের সকল ব্যবসার দেখা শোনা করতে করতে এক সময় সবকিছু নিজের নামে করিয়ে নেন। তার আগে কাশেম ঢালী নামে আরেক বিত্তশালী মিশা সওদাগরের সঙ্গে রাজ্জাকের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ তৈরি হয়। দু'জন দু'জনের শত্রু বনে যায়। একদিন রাজ্জাকের কন্যা রেসীকে আক্রমণ করে মিশার তিন ভাই। রেসী দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নেয় রমজানের রিকশার গ্যারেজে। রমজান প্রবীর মিত্র একজন 'রিকশাওয়ালা' তার ছেলে রিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি ডিপজল। ডিপজল মাস্তানদের হাত থেকে রেসীকে উদ্ধার করে। ডিপজলের সহকারী টুনি দীঘি আর রিকশাওয়ালা কাবিলা যিনি গায়ক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তারা ডিপজলকে অনুরোধ করেন রেসীকে রিকশায় বসিয়ে বাসায় পৌঁছে দিতে। ডিপজল রাজি হয় না। বলে আমি রিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি, রিকশা চালাই না। কিন্তু বাবা প্রবীর মিত্রের নির্দেশে ডিপজল রিকশা চালিয়ে রেসীকে রাজ্জাকের বাড়ি পৌঁছে দেন। খুশি হয়ে রাজ্জাক তাকে দুই লাখ টাকা দিতে চাইলে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। রাজ্জাক যখন জানতে চান বলো কি চাও তুমি? উত্তরে ডিপজল বলেন, বলা সহজ, দেয়া কঠিন। রাজ্জাক আবার জানতে চান বলো কি চাও? ডিপজলের উত্তর, আমিতো আপনার মেয়েকেও চাইতে পারি। এই কথায় শুরু হয় দ্বন্দ্ব।
একজন সামান্য রিকশাওয়ালা রুস্তম আলমাস চৌধুরীর কন্যার দিকে হাত বাড়াতে চায় দেখে ক্ষুব্ধ হন আলমাস চৌধুরী। শুরু হয় দ্বন্দ্ব। কিন্তু রেসী ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েন রিকশাওয়ালার ছেলে ডিপজলের প্রতি। ডিপজল এটা মেনে নিতে চায় না। কিন্তু রেসী নাছোড় বান্দা। এতে তার ছোট তিন বোনও বিরক্ত। তারা অনেক বড়লোক বিয়ে করবে বলে বোনকে জানায়। কিন্তু তিনজন ভালবাসে বেকার যুবক সম্রাট, স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী জায়েদ খান ও খেলনা গাড়ি দোকানের সেলসম্যান আমানকে। তিনজন মিথ্যা পরিচয় দিয়ে রাজ্জাকের তিন মেয়েকে ফাঁদে ফেলে। এদিকে ডিপজল রেসীর সম্পর্ক গভীর হতে দেখে রাজ্জাক ডিপজলকে মেরে ফেলার নির্দেশ দিলে মিজু আহমেদের ভাড়া করা বাহিনী ডিপজলকে মেরে আহত করে। এতে পিতা প্রবীর মিত্র তার রিকশাওয়ালা বাহিনী নিয়ে রাজ্জাকের বাসায় গিয়ে প্রতিবাদ করে। এই সুযোগ নেয় মিশা সওদাগর। ভ্যান চাপা দিয়ে প্রবীর মিত্রকে গুরুতর আহত করে।
মৃত্যুর সময় প্রবীর মিত্র ডিপজলকে কসম দিয়ে যান যে, দাম্ভিক আলমাস চৌধুরীর কন্যা রেসীকে 'রিকশাওয়ালার ছেলের বউ' করতে হবে। ডিপজল কসম খায়। শুরু হয় দ্বন্দ্ব। প্রচণ্ড বিরোধ। রাজ্জাক কন্যা হিসেবে রেসীকে অস্বীকার করে। এক সময় ডিপজল তার সহযোগী বড়লোকের সন্তান আলেকজান্ডার বো'র সহযোগিতায় রাজ্জাকের তিন কন্যার প্রেমিকদের আসল পরিচয় তুলে ধরলে রাজ্জাক সেই তিন কন্যাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেন। এমন সময় আসল রূপ বের হয়ে আসে মিজু আহমেদের। সে মিশা সওদাগরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজ্জাকের সকল সম্পত্তি নিজের নামে করে নিয়ে রাজ্জাককে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সব হারিয়ে রাজ্জাক নিজেও হয়ে যান 'রিকশাওয়ালা'। তার পর কি হয়-ছবি কোথায় গিয়ে শেষ এ বিষয়ে কিছু বলতে চাইলেন না ডিপজল।
বললেন, দ্বন্দ্বের শেষটা সবাই হলেই গিয়ে দেখবেন। শুক্রবার রাতে একেবারে ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে 'রিকশাওয়ালার ছেলে' ছবি দেখলেন ছবির অভিনেতা প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। যারা দেখলেন তারা সবাই ছবির প্রশংসা করলেন। এক বাক্যে বললেন, ছবিটি সবশ্রেণীর দর্শকই দেখবেন। গল্প, শিল্পী, অ্যারেঞ্জমেন্ট সব মিলিয়েই পরিপূর্ণ ঈদের ছবি 'রিকশাওয়ালার ছেলে'। রাজ্জাক ও ডিপজলের রিকশা চালানোটা দর্শকদের জন্য বিরাট পাওয়া হয়ে দেখা দেবে। তারকা সমৃদ্ধ এই ছবির অন্য শিল্পীরা হলেন- রেসী, রুমানা, সম্রাট, আলেকজান্ডার বো, মুক্তি, শাকিবা, জায়েদ খান, আমান, জায়েদ খান, টেলিসামাদ, নাসরিন, শানুশিবা, ডিজে সোহেল, সালাদিন, জিল্লুর রহমান, কাবিলা, মিশা সওদাগর, মিজু আহমেদ, প্রবীর মিত্র ও দীঘি।
আলমাস চৌধুরী রাজ্জাকের চার মেয়ে। রেসী, মুক্তি, রুমানা ও শাকিবা। ছোট ভাই মিজু আহমেদ বড় ভাইয়ের সকল ব্যবসার দেখা শোনা করতে করতে এক সময় সবকিছু নিজের নামে করিয়ে নেন। তার আগে কাশেম ঢালী নামে আরেক বিত্তশালী মিশা সওদাগরের সঙ্গে রাজ্জাকের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ তৈরি হয়। দু'জন দু'জনের শত্রু বনে যায়। একদিন রাজ্জাকের কন্যা রেসীকে আক্রমণ করে মিশার তিন ভাই। রেসী দৌড়ে গিয়ে আশ্রয় নেয় রমজানের রিকশার গ্যারেজে। রমজান প্রবীর মিত্র একজন 'রিকশাওয়ালা' তার ছেলে রিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি ডিপজল। ডিপজল মাস্তানদের হাত থেকে রেসীকে উদ্ধার করে। ডিপজলের সহকারী টুনি দীঘি আর রিকশাওয়ালা কাবিলা যিনি গায়ক হওয়ার স্বপ্ন দেখেন। তারা ডিপজলকে অনুরোধ করেন রেসীকে রিকশায় বসিয়ে বাসায় পৌঁছে দিতে। ডিপজল রাজি হয় না। বলে আমি রিকশা গ্যারেজের মিস্ত্রি, রিকশা চালাই না। কিন্তু বাবা প্রবীর মিত্রের নির্দেশে ডিপজল রিকশা চালিয়ে রেসীকে রাজ্জাকের বাড়ি পৌঁছে দেন। খুশি হয়ে রাজ্জাক তাকে দুই লাখ টাকা দিতে চাইলে শুরু হয় দ্বন্দ্ব। রাজ্জাক যখন জানতে চান বলো কি চাও তুমি? উত্তরে ডিপজল বলেন, বলা সহজ, দেয়া কঠিন। রাজ্জাক আবার জানতে চান বলো কি চাও? ডিপজলের উত্তর, আমিতো আপনার মেয়েকেও চাইতে পারি। এই কথায় শুরু হয় দ্বন্দ্ব।
একজন সামান্য রিকশাওয়ালা রুস্তম আলমাস চৌধুরীর কন্যার দিকে হাত বাড়াতে চায় দেখে ক্ষুব্ধ হন আলমাস চৌধুরী। শুরু হয় দ্বন্দ্ব। কিন্তু রেসী ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েন রিকশাওয়ালার ছেলে ডিপজলের প্রতি। ডিপজল এটা মেনে নিতে চায় না। কিন্তু রেসী নাছোড় বান্দা। এতে তার ছোট তিন বোনও বিরক্ত। তারা অনেক বড়লোক বিয়ে করবে বলে বোনকে জানায়। কিন্তু তিনজন ভালবাসে বেকার যুবক সম্রাট, স্বর্ণের দোকানের কর্মচারী জায়েদ খান ও খেলনা গাড়ি দোকানের সেলসম্যান আমানকে। তিনজন মিথ্যা পরিচয় দিয়ে রাজ্জাকের তিন মেয়েকে ফাঁদে ফেলে। এদিকে ডিপজল রেসীর সম্পর্ক গভীর হতে দেখে রাজ্জাক ডিপজলকে মেরে ফেলার নির্দেশ দিলে মিজু আহমেদের ভাড়া করা বাহিনী ডিপজলকে মেরে আহত করে। এতে পিতা প্রবীর মিত্র তার রিকশাওয়ালা বাহিনী নিয়ে রাজ্জাকের বাসায় গিয়ে প্রতিবাদ করে। এই সুযোগ নেয় মিশা সওদাগর। ভ্যান চাপা দিয়ে প্রবীর মিত্রকে গুরুতর আহত করে।
মৃত্যুর সময় প্রবীর মিত্র ডিপজলকে কসম দিয়ে যান যে, দাম্ভিক আলমাস চৌধুরীর কন্যা রেসীকে 'রিকশাওয়ালার ছেলের বউ' করতে হবে। ডিপজল কসম খায়। শুরু হয় দ্বন্দ্ব। প্রচণ্ড বিরোধ। রাজ্জাক কন্যা হিসেবে রেসীকে অস্বীকার করে। এক সময় ডিপজল তার সহযোগী বড়লোকের সন্তান আলেকজান্ডার বো'র সহযোগিতায় রাজ্জাকের তিন কন্যার প্রেমিকদের আসল পরিচয় তুলে ধরলে রাজ্জাক সেই তিন কন্যাকেও বাড়ি থেকে বের করে দেন। এমন সময় আসল রূপ বের হয়ে আসে মিজু আহমেদের। সে মিশা সওদাগরের সঙ্গে হাত মিলিয়ে রাজ্জাকের সকল সম্পত্তি নিজের নামে করে নিয়ে রাজ্জাককে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সব হারিয়ে রাজ্জাক নিজেও হয়ে যান 'রিকশাওয়ালা'। তার পর কি হয়-ছবি কোথায় গিয়ে শেষ এ বিষয়ে কিছু বলতে চাইলেন না ডিপজল।
বললেন, দ্বন্দ্বের শেষটা সবাই হলেই গিয়ে দেখবেন। শুক্রবার রাতে একেবারে ঘনিষ্ঠজনদের নিয়ে 'রিকশাওয়ালার ছেলে' ছবি দেখলেন ছবির অভিনেতা প্রযোজক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। যারা দেখলেন তারা সবাই ছবির প্রশংসা করলেন। এক বাক্যে বললেন, ছবিটি সবশ্রেণীর দর্শকই দেখবেন। গল্প, শিল্পী, অ্যারেঞ্জমেন্ট সব মিলিয়েই পরিপূর্ণ ঈদের ছবি 'রিকশাওয়ালার ছেলে'। রাজ্জাক ও ডিপজলের রিকশা চালানোটা দর্শকদের জন্য বিরাট পাওয়া হয়ে দেখা দেবে। তারকা সমৃদ্ধ এই ছবির অন্য শিল্পীরা হলেন- রেসী, রুমানা, সম্রাট, আলেকজান্ডার বো, মুক্তি, শাকিবা, জায়েদ খান, আমান, জায়েদ খান, টেলিসামাদ, নাসরিন, শানুশিবা, ডিজে সোহেল, সালাদিন, জিল্লুর রহমান, কাবিলা, মিশা সওদাগর, মিজু আহমেদ, প্রবীর মিত্র ও দীঘি।
রুবেল হাসপাতালে
চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক চিত্রনায়ক রুবেল অসুস্থ। গত শুক্রবার রাতে গ্যাস্ট্রিকজনিত সমস্যার কারণে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন রুবেল। সঙ্গে সঙ্গে তাকে ধানমন্ডিস্থ সিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডাক্তার তাকে দেখে বিশ্রামে থাকার জন্য বলেন। বর্তমানে সিটি হাসপাতালেই রুবেলের চিকিৎসা চলছে।
ইতিমধ্যেই তাকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন তার আত্মীয়-স্বজন, চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ব্যক্তিসহ শিল্পী সমিতির সদস্যরা। মাসুম পারভেজ রুবেল সর্বশেষ নির্বাচনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সেই হিসেবে নিয়মিত সমিতির কাজ করে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি সমিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছেন তিনি। এছাড়া ‘বিচ্ছু বাহিনী’ ছবিটির সিক্যুয়েল নির্মাণের জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
ইতিমধ্যেই তাকে হাসপাতালে দেখতে গেছেন তার আত্মীয়-স্বজন, চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ব্যক্তিসহ শিল্পী সমিতির সদস্যরা। মাসুম পারভেজ রুবেল সর্বশেষ নির্বাচনে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। সেই হিসেবে নিয়মিত সমিতির কাজ করে চলেছেন তিনি। সম্প্রতি সমিতির বিভিন্ন দিক নিয়ে বেশ কিছু পরিকল্পনা করেছেন তিনি। এছাড়া ‘বিচ্ছু বাহিনী’ ছবিটির সিক্যুয়েল নির্মাণের জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)




